Fact Check: লিবিয়ার পুরনো ভিডিও অসত্যভাবে রুশ জেটকে ইউক্রেনের গুলি করে নামানোর ছবি হিসেবে শেয়ার করা হচ্ছে

0 341

চলতি ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের মধ্যে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে শেয়ার করা হচ্ছে এই দাবি করে যে এতে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীকে রাশিয়ার যুদ্ধবিমান গুলি করে নামাতে দেখা যাচ্ছে।

ভিডিওটি ফেসবুকে এই হিন্দি ক্যাপশন–সহ শেয়ার করা হচ্ছে, “युक्रेन अपनी ताक़त भर लड़ रहा है और उसने रूस के कई फ़ाइटर जेट्स को मार गिराया है. लेकिन, रूसी फ़ौज के चौतरफ़ा हमले को वह कबतक झेल पाएगा? युक्रेन के रूसी फ़ाइटर प्लेन को मार गिराने का यह वीडियो युक्रेन की जाँबाज़ी का गवाह है”

(অনুবাদ: ইউক্রেন তার সমস্ত শক্তি দিয়ে যুদ্ধ করছে এবং বেশ কয়েকটি রুশ যুদ্ধজেটকে গুলি করে নামিয়েছে। কিন্তু রুশ সেনাবাহিনীর চতুর্দিকের আক্রমণের বিরুদ্ধে কতদিন লড়াই করা যাবে? ইউক্রেনের রুশ যুদ্ধবিমান নামানোর এই ভিডিও ইউক্রেনের সাহসিকতার সাক্ষী!)

এখানে ওপরের পোস্টের (‌ post  )‌ লিঙ্ক দেওয়া হল।

FACT CHECK
নিউজমোবাইল এই দাবির সত্যতা যাচাই করে দেখেছে যে দাবিটি বিভ্রান্তিকর।

ইনভিড টুল ব্যবহার করে আমরা ভাইরাল ভিডিও থেকে কিফ্রেমগুলি বার করে একটি রিভার্স ইমেজ সার্চ করেছি৷ এটি আমাদেরকে ১৯ মার্চ, ২০১১-এ অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (‌  Associated Press  )–‌এর আপলোড করা একটি ভিডিওতে নিয়ে যায়, যেখানে ভাইরাল ভিডিওর স্নিপেটগুলি দেখা যাচ্ছে৷

ভিডিওর বর্ণনা অনুসারে, এতে দেখা যাচ্ছে ‘‌লিবিয়ার বিদ্রোহীরা শনিবার তাদের পুবের ঘাঁটি বেনগাজিতে বোমাবর্ষণকারী একটি যুদ্ধবিমানকে গুলি করে নামিয়েছে, এবং বিরোধীরা মোয়াম্মার গাদ্দাফির সরকারকে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান অস্বীকার করার দায়ে অভিযুক্ত করেছে।’‌

আরও অনুসন্ধান করে আমরা ১৯ মার্চ, ২০১১ তারিখে চ্যানেল ফোর নিউজ(‌ Channel 4 News  )‌–এ‌র ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করা একটি ভিডিও পেয়েছি, যেটি আদতে এই ভাইরাল ভিডিওটিই। ভিডিওর বিবরণে বলা হয়েছে, “বেনগাজির ওপর দিয়ে যাওয়া একটি জেট গুলি করে নামানো হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। যুদ্ধবিরতির দাবি সত্ত্বেও কর্নেল গাদ্দাফির সৈন্যরা লিবিয়ার শহরে প্রবেশ করেছে বলে খবর রয়েছে।”

সুতরাং, উপরের তথ্য থেকে এটা স্পষ্ট যে ভাইরাল ভিডিওটি পুরনো এবং সাম্প্রতিক ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘর্ষের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। অতএব, ভাইরাল দাবি বিভ্রান্তিকর‌।