Fact Check: না, বোরখা পরিহিত নারীদের উপর পুলিশের আঘাতের এই ভাইরাল ভিডিও কর্ণাটকের নয়

0 345

কর্ণাটকে চলতি হিজাব বিতর্কের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে যাতে দেখা যাচ্ছে কিছু পুলিশ কর্মকর্তা বোরখা পরিহিত মহিলাদেরকে আঘাত করছেন৷ ভিডিওটি সিসিটিভি ফুটেজ বলে মনে হচ্ছে, এবং একটি ক্যাপশন সহ তা ব্যাপকভাবে শেয়ার করা হচ্ছে যে ঘটনাটি কর্ণাটকে ঘটেছে।

একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী (‌ Facebook user   )‌ ভিডিওটি হিন্দিতে একটি ক্যাপশন সহ শেয়ার করেছেন যার মোটামুটি অনুবাদ এরকম:‌ “বলা হচ্ছে যে ভিডিওটি কর্ণাটকের। মিডিয়া কখনই সঠিক কিছু দেখাতে পারে না ভাই, কিন্তু আপনার যত বন্ধু বা গ্রুপ আছে তাদের আপনি দেখাতে পারেন। এই ভিডিওটি প্রতিটি গ্রুপ এবং প্রতিটি বন্ধুর সাথে শেয়ার করুন যাতে কর্ণাটকে আজ যা ঘটছে আগামীকাল আপনার সঙ্গে না ঘটে। আরও দয়া করে. আপনি যতটা পারেন শেয়ার করুন, এই সমস্ত বোনদের সাহায্য করুন, যাতে তারা ন্যায়বিচার পায়।’‌’‌

(Original:#सितमगरों_याद_रखो_खुदा_भी_हैये वीडियो कर्नाटक का बताया जा रहा है ये मीडिया कभी कुछ सही नही दिखा सकती भाईयो लेकिन आप लोग दिखा सकते हो आपके जितने भी दोस्त है या ग्रुप है ये वीडियो हर ग्रुप और हर दोस्त को शेयर करे ताकि आपकी जो आज कर्नाटक में हो रहा है कल वो आपके साथ ना हो प्लीज ज्यादा से ज्यादा शेयर करे इन सब बहनों की मदद करे ताकि इन सब को इंसाफ मिल सके)

ফেসবুকে একই ধরনের দাবি সহ আরও অনেক ব্যবহারকারী ভিডিওটি শেয়ার করেছেন।

FACT CHECK

নিউজমোবাইল ভাইরাল ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করে দেখেছে এটি মিথ্যা দাবি করে শেয়ার করা হয়েছে।

একটি রিভার্স ইমেজ অনুসন্ধানের সাহায্যে, আমরা ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ তারিখে এনডিটিভি (‌ NDTV   )‌ নিউজ ওয়েবসাইটে একটি ভিডিও প্রতিবেদন পেয়েছি৷ নিবন্ধটির শিরোনাম ছিল, “ভিডিও: হিজাব প্রতিবাদের জন্য গাজিয়াবাদে পুলিশ লাঠি দিয়ে মুসলিম মহিলাদের আঘাত করেছে।”

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ভিডিওটি উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে হিজাব নিষিদ্ধের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলাকালে বোরখা পরা নারীদের মারধরের ভিডিও।

এবিপি নিউজও (‌ ABP News  )‌ ভাইরাল ভিডিওটি ব্যবহার করে ঘটনার খবর দিয়েছিল।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পরে গাজিয়াবাদ পুলিশ একটি বিবৃতি দিয়ে বলেছে যে বিক্ষোভকারীরা প্রথমে তাদের আক্রমণ করেছিল এবং তারা অনুমতি ছাড়াই বিক্ষোভ করছিল।

কাজেই এই উপসংহার টানা যায় যে ভাইরাল হওয়া ভিডিও কর্ণাটকের নয়, উত্তরপ্রদেশের।