সোশ্যাল মিডিয়াতে কত কিছুই রটে. সে সব আবার ছবি ও ভিডিও সহ ভাইরাল হয়. কিন্তু আসল তথ্য কি সামনে আসে, আসে না.

0 218

সেরকম একটি ঘটনার ঠিক তথ্য অনুসন্ধান করলো নিউজ মোবাইল.

প্রজাতন্ত্র দিবসের ঠিক পরের দিন ভাইরাল হয় একটি ছবি picture . দেখানো হয় কষৃক দের প্রতিবাদ মিছিলে দিল্লি পুলিশের বর্বরোচিত আচরণ. ছবিতে দেখা যায একজন পুলিশের বট জুতো পরা পা চাপানো রয়েছে একজন কৃষকের বুকে. আর ওই ব্যক্তি মাটিতে শুয়ে ছটফট করছে.

একজন এই ছবিটি ফেসবুকে দেয়  post . শুধু তাই নয়, সঙ্গে পাঞ্জাবি শব্দে লেখে  “ਦਿੱਲੀ ਪੁਲਸ ਦਾ ਖੌਫਨਾਕ ਚਿਹਰਾ।’

(অনুবাদ-দিল্লি পুলিশের ভয়ানক চেহারা)

এখানে লিঙ্কটি দেওয়া হলো  link. আরো একইরকম পোষ্টের জন্য দেওয়া হলো আরো লিঙ্ক  here, here and here.

আমরা টুইটারেও একই পোষ্ট

পেলাম. link.

ফ্যাক্ট চেক

এই পোষ্টের তথ্য অনুসন্ধান করতে গিয়ে বোঝাগেলো এই পোষ্টটি ভুয়ো

এই ছবি ও তার সঙ্গে কিছু শব্দ দিয়ে খোঁজা শুরু করতেই আমাদের কাছে এলো আসল তথ্য.২০১১ সালের ১৩ মার্চের একটি প্রবন্ধ ছবি সহ আমাদের হাতে এলো. যা আসলে এই ভুয়ো ফেসবুক পোষ্টটিকে প্রশ্নের মুখে ফেলে.

আমাদের তদন্ত অনযায়ী ছবির সঙ্গে দেওয়া তথ্য বলে দিচ্ছে ছবিটি আসলে সমাজবাদী দলের কর্মীদের প্রতিবাদের ছবি.এই প্রতিবাদ হয়েছিলো লখনৌয়ের হজরতগঞ্জ এলাকায়. এবং বুট পরা ওই পুলিশ অফিসার আর কেউ নয়, উনি হলেন ডি.আই.জি ডি.কে ঠাকুর.

আর প্রবন্ধের তথ্য অনুযায়ী এই প্রতিবাদ সভা আয়োজন করেছিলো সমাজবাদী দলের যুবশাখা, লোহিয়া বাহিনী. অখিলেশ যাদবের গ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে তারা রাস্তায় নেমেছিলো. অখিলেশকে গ্রেপ্তার করা হয় ২০১১, ৯ তারিখ.

 

আরো একটু বেশি খোঁজার পর পাওয়া গেলো ২০২১ এ বেরোনো ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের Indian Express  একটি রির্পোট. যার শিরোনাম ছিলো ‘boot thrashing’ Lucknow DIG”,.

দেওয়া রইলো তার লিঙ্ক link

এই প্রবন্ধ অনুযায়ী ২০১১, ১৬ মার্চ এলাবাদ হাইকোর্টে একটি পিআইএল রজু করা হয়.এই পিআইএলে ডি.আই.জি ডি.কে ঠাকুরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়. কারন তিনি সমাজবাদী দলের কর্মীদের মারধোর করেছেন ও তার পাযের বুট দিয়ে আঘাত করেছেন.

সুতরাং বলা যেতেই পারে উপোরিউক্তো ছবি আসলে ২০১১ তে তোলা. ফলে দিল্লী পুলিশের মুখ বলে যা বলা হচ্ছে তা আসলে ভুয়ো.

যদি আপনারা ফ্যাক্ট চেক মোবাইলে পেতে চান তবে এই রইলো আমাদের হোয়াট্সআপ
মোবাইল নস্বর 911171279799