Fact Check: তুরস্কের পুরনো ভিডিও ভাইরাল হয়েছে ফরাসি পুলিশ রাস্তায় নামাজিদের উপর জল কামান ব্যবহার করছে বলে দাবি করে

0 778

রাস্তায় বসে থাকা কিছু লোকের উপর জলকামান এবং কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করা হচ্ছে। দাবি করা হচ্ছে যে ভিডিওটি ফ্রান্সের এবং রাস্তায় নামাজ পড়তে বসা মানুষের উপর জলকামান ব্যবহার করা হয়েছিল।

ফেসবুক ব্যবহারকারীরা ভিডিওটি শেয়ার করছেন বাংলা ক্যাপশনে, ‘‌শেষ পর্যন্ত ফ্রান্স কাজ শুরু করে দিয়েছে।রাস্তা দখল করে নামাজীদের তুলে দিচ্ছে রাস্তার থেকে। আশা করি এবারেও দেখতে পাবো “বয়কট ফ্রান্স” নামের নাটক কিছু দেশে।’‌

এখানে ওপরের পোস্টের (‌ post )‌ লিঙ্ক দেওয়া হল।

FACT CHECK

নিউজমোবাইল এই পোস্টের সত্যতা যাচাই করে দেখেছে যে দাবিটি মিথ্যা।

আমরা ইনভিড টুল ব্যবহার করে ভিডিওর কিফ্রেমগুলি বের করেছি এবং সেগুলোর রিভার্স ইমেজ সার্চ করেছি।

এইভাবে আমরা দেখেতে পাই এই একই ভিডিও ৯ নভেম্বর, ২০১২-এ ইউটিউবে ( YouTube )   আপলোড করা হয়েছিল। ভিডিওটির বর্ণনায় লেখা ছিল (গুগল ট্রান্সলেশনের মাধ্যমে তুর্কি থেকে অনুবাদ করা হয়েছে), “হাক্কারি জেলার ইয়ুকসেকোভায় ‘সিভিল জুমার নামাজের সময়’ ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলি যারা নামাজ পড়েন তাঁদের কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলেছিল।”

এর সূত্র ধরে আমরা একটি কিওয়ার্ড অনুসন্ধান চালিয়েছি এবং ২০১২ থেকে তুর্কি মিডিয়া আউটলেটগুলির দ্বারা একই বিক্ষোভ সম্পর্কে একাধিক প্রতিবেদন পেয়েছি।

একটি তুর্কি সংবাদপত্র হাবেরতুর্কের (‌ Haberturk   )‌ মতে, হাইস্কুলের একদল ছাত্র হাক্কারির ইয়ুকসেকোভা জেলার চেঙ্গিজ টোপেল স্ট্রিটে জড়ো হয়েছিল, এবং কারাগারে অনশনের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য অবস্থান বিক্ষোভ করেছিল।

একই রকম রিপোর্ট ৯ নভেম্বর, ২০১২-এ আরেকটি মিডিয়া আউটলেট হাবের৭ (‌ Haber7   )‌ দ্বারা প্রকাশিত হয়েছিল। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে ‘ছাত্ররা কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) পক্ষে স্লোগান দিচ্ছিল হাতে ওকালান পতাকা নিয়ে, এবং পুলিশ বারংবার সতর্ক করা সত্বেও সত্ত্বেও তারা চলে যায়নি। তাদের বিরুদ্ধে গ্রুপ গ্যাস বোমা ও চাপযুক্ত জল ব্যবহার করা হয়।

কাজেই উপরের তথ্য থেকে এটা স্পষ্ট যে ভিডিওটি ২০১২ সালের তুরস্কের;‌ ফ্রান্সের নয়।