Fact Check: বাংলায় টিএমসি–বিজেপি মারামারির ছবি অসত্যভাবে বিহারের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে

0 651

মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করার পরে এবং একদিন আগে বিজেপি–র সঙ্গে তাঁর জোট ভেঙে দেওয়ার পরে নীতীশ কুমার ১০ আগস্ট, ২০২২-এ অষ্টম বারের মতো বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন (‌ oath as Bihar’s Chief Minister )‌।  কুমার আরজেডি ও কংগ্রেসের সঙ্গে একটি মহাগঠবন্ধন গঠন করেছেলন, এবং আরজেডি-র তেজস্বী যাদবকে তাঁর ডেপুটি হিসাবে নিয়োগ করেছেন।

তারপরেই একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে যাতে দেখা যাচ্ছে কিছু লোক বিজেপি–র পতাকা নিয়ে একটি অটোতে হামলা করছে, এবং তারপরে দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাধছে। পোস্টটিতে দাবি করা হয়েছে যে নীতীশ কুমার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার পরে বিজেপি কর্মীরা জেডি (ইউ) নেতাদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিলেন।

পোস্টটি এই টেক্সটের সাথে শেয়ার করা হয়েছে: ইয়ে তো হোনা হি থা…এখনও একদিনও হয়নি জোট ভেঙেছে  আর বিজেপি প্রতিদানে তার বিদ্বেষের অংশ পাচ্ছে…#বিহার পলিটিক্স

এখানে উপরের পোস্টের (‌ post )‌ লিঙ্ক দেওয়া আছে।

FACT CHECK

নিউজমোবাইল পোস্টটির সত্যতা যাচাই করে দেখেছে যে এটি বিহারের নয়।

ভিডিওতে আমরা লক্ষ্য করেছি যে হাতাহাতির সময়কার স্লোগানগুলি বাংলায় ছিল। একটি কিওয়ার্ড অনুসন্ধান চালিয়ে আমরা ৬ আগস্ট, ২০২২ তারিখের একটি টাইমস নাউ (‌ Times Now )‌ ভিডিও–ও পেয়েছি যাতে একই ভিজ্যুয়াল আছে এই শিরোনাম সহ: পশ্চিমবঙ্গ: টিএমসি ও  বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ, টিএমসি অভিযোগ করেছে বিজেপি তাদের কনভয় আটকেছিল | ইংরেজি খবর

ভিডিও বর্ণনা অনুসারে, ঘটনাটি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার, যেখানে টিএমসি এবং বিজেপির সদস্যরা একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দৃশ্যমান টিএমসি বিধায়ক অসিত মজুমদার বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

৫ আগস্ট, ২০২২ তারিখের এনডিটিভি–র (‌ NDTV  )‌ আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে অসিত মজুমদার, এই এলাকার তিনবারের বিধায়ক, দাবি করেছেন যে তিনি বিজেপি কর্মীদের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছিলেন কারণ তারা টিএমসির বিরুদ্ধে উড়ো অভিযোগ করছিল। এনডিটিভি মজুমদারকে উদ্ধৃত করে বলেছে, “তারা আমার গাড়ি থামায় এবং আমাকে হেনস্থা করে, যার পরে আমাদের মহিলা কর্মীরা হস্তক্ষেপ করেন।”

আমরা দেখতে পেয়েছি যে টিওআই, টিভি9 বাংলা এবং দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস (বাংলা) দ্বারাও (‌ TOITV9 Bangla and The Indian Express (Bengali)  )‌ অনুরূপ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

সুতরাং, এটি এখন স্পষ্ট যে ভিডিওটি পশ্চিমবঙ্গের, বিহারের নয়।