Fact Check: ছত্তিশগড়ে দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জনের সময় সংঘর্ষের ভিডিও মিথ্যা সাম্প্রদায়িক রঙ দিয়ে ভাইরাল

0 11

প্রতিমা বিসর্জনের মিছিলের সময় একটি ট্রাকের লাউডস্পিকার ও আলোতে পাথর নিক্ষেপের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, এবং দাবি করা হয়েছে যে ছত্তিশগড়ের বিলাসপুরে দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জনের অনুষ্ঠানে হিন্দুদের উপর এভাবেই হামলা করা হয়েছিল।

ভিডিওটি ফেসবুকে এই ক্যাপশন সহ শেয়ার করা হচ্ছে, “बिलासपुर सदर बाजार की सड़क से माँ दुर्गा विसर्जन करने जा रहे हिन्दुओ पर तलवार लाठी डंडे रॉड से हमला माँ दुर्गा के मूर्ति पर हमला हिन्दुओ पर पत्थरबाजी आधे घण्टे तक बीच सड़क पर आतंक का तांडव होता रहा”

(‌অনুবাদ: বিলাসপুর সদর বাজারের রাস্তা থেকে মা দুর্গার বিসর্জনে যাওয়া হিন্দুদের ওপর তরোয়াল, লাঠি, মা দুর্গার মূর্তির ওপর লোহার রড দিয়ে হামলা, হিন্দুদের ওপর পাথর নিক্ষেপ। আধাঘণ্টা ধরে রাস্তায় সন্ত্রাস চলছিল)

এখানে উপরের পোস্টের (‌ post )‌ লিঙ্ক দেওয়া হল।

FACT CHECK

নিউজমোবাইল উপরোক্ত দাবির সত্যতা যাচাই করেছে এবং এটি বিভ্রান্তিকর বলে প্রমাণিত হয়েছে।

ইনভিড টুল ব্যবহার করে আমরা ভাইরাল ভিডিও থেকে কিফ্রেমগুলি বের করেছি এবং প্রাসঙ্গিক কিওয়ার্ডগুলি নিয়ে একটি রিভার্স ইমেজ সার্চ করেছি৷ এই অনুসন্ধানটি আমাদের এএনআই-এর (‌ ANI )‌ একটি সংবাদ প্রতিবেদনে নির্দেশিত করেছে যা ৭ অক্টোবর, ২০২২-এর ভাইরাল ভিডিওর মতো একটি স্ক্রিনগ্র্যাব বহন করে। প্রতিবেদন অনুসারে, “বিজয়া দশমীর দুই দিন পর ‘দুর্গা বিসর্জন’ করতে যাওয়া দুটি দলের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। শুক্রবার ছত্তিশগড়ের বিলাসপুর জেলায় এ ঘটনা ঘটে। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, দলগুলি দুটি পৃথক দুর্গা প্যান্ডেল কমিটির ট্যাবলোর অংশ ছিল।’‌’‌ প্রতিবেদনে কোথাও কোনও সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গির উল্লেখ নেই।

এএনআই ৭ অক্টোবর, ২০২২-এ তার টুইটার হ্যান্ডেল থেকে একই ভিডিও টুইট (‌ tweeted )‌ করে এই ক্যাপশন সহ:‌ “ছত্তিশগড়ের বিলাসপুরের সদর বাজারে দেবী দুর্গা প্রতিমা বিসর্জনের সময় ২ গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।” এটি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) রাজেন্দ্র জয়সওয়ালের বাইটও (‌ byte )‌ বহন করেছে যাতে তিনি বলেছেন, “কোন দলটি প্রথমে বিসর্জনের জন্য যাবে তা নিয়ে ২টি দুর্গা পূজা কমিটির সদস্যদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। সন্দেহভাজনরা পুলিশ হেফাজতে রয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

একই ঘটনা টাইমস নাউ, নিউজ 18 এবং দ্য প্রিন্ট (‌ Times NowNews 18 and The Print )‌ সহ আরও অনেক সংবাদ আউটলেট দ্বারা রিপোর্ট করা হয়েছে। উল্লিখিত রিপোর্টগুলোর কোনোটিতেই হিন্দুদের উপর হামলার কথা বলা হয়নি।

উপরোক্ত তথ্য থেকে এটি স্পষ্ট যে ভাইরাল ভিডিওটি একটি মিথ্যা সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে শেয়ার করা হচ্ছে।